শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

স্কুল-কলেজ  খুলে দিলে করোনাসংক্রমণ দিগুন  হারে বৃদ্ধি পাবে

স্কুল-কলেজ খুলে দিলে করোনাসংক্রমণ দিগুন হারে বৃদ্ধি পাবে


 


স্কুল-কলেজ  খুলে দিলে করোনাসংক্রমণ দিগুন  হারে বৃদ্ধি পাবে

লিখেছেনঃ Tahon Sahariar 

 বর্তমান করোনা  মহামারিতে  দেশের সব কিছুই  খোলা থাকলেও  বন্ধ রয়েছে  দেশের  সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।  স্কুল-কলেজ খোলার চিন্তাভাবনা করছেন দেশের  বিভিন্ন স্তরের বিশ্লেষকরা।  


 শিক্ষা মন্ত্রণালয়  স্কুল-কলেজ খোলার জন্য   বিশেষ বৈঠক  করবে বলে সিদ্ধান্ত  নেয়।  কিন্তু করোনা প্রকপ হঠাৎ  করে বেড়ে গিয়েছে। পশ্চিম-বঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  খুলে দিলে করোনা ভাইরাসে   আক্রান্ত  হয় ৩০০ শিক্ষার্থী সংগে ৫ শিক্ষকগন। 





bangla latest news


দেশে করোনা  ভাইরাসের মহানিলা আবারও উকি দিচ্ছে।  গত সপ্তাহে করোনা ভ্যাক্সিন নেওয়া সত্বেও  সাস্থ্যকর্মীসহ আরও অনেকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করোনা ছড়ানোর  মুখ্য জায়গায় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





ajker-bd24


  কিন্তু অনেকের মতামত সব কিছু খোলা থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ থাকবে।ড. জাফরুউল্লাহ চৌধুরী মনে করছেন স্কুল- কলেজ খুলে দিলে তেমন কোন সমস্যা  হবে না।  অনেক শিক্ষার্থী  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  খুলে দেওয়ার জন্য আন্দলোন করছেন। কিন্তু বেশির  ভাগ শিক্ষার্থী পরিক্ষা  দিতে নারাজ। 


আরও পড়ুন :  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  খুলছে জানালেন দিপু


তাদের মতে সারা বছর কোন ক্লাস হয় নি।  কিভাবে পরিক্ষা দিবে কিছু না পড়ে আর তার সংগে করোনার ভয় তো আছেই।  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  করোনা সংক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ স্থান।  শিক্ষার্থীদের নেই কোন নিরাপত্তা,  এই অবস্থায় কোন ধরনের  পরিক্ষায় অংশগ্রহন করতে  চাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। 



Bangla Breaking news 


অবিভাবকদের অধিকাংশ  মতামত  এখন যাতে স্কুল- কলেজ না খোলে।  এখন অপেক্ষা  শুধু ২৮ ফেব্রুয়ারির পর  কী সিদ্ধান্ত   আসে শিক্ষামন্ত্রলায় থেকে।  

শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী - ড.দীপু মনি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী - ড.দীপু মনি

  

                                     ajker-bd24.info
                                      

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী - ড.দীপু মনি 


লিখেছেন ঃ Tahon Sahariar 

স্কুল-কলেজ বন্ধ প্রায় ১ বছরেরও  বেশি সময় ধরে।  করোনাকালীন সময়ে দেশের কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  খুলে দেওয়া সম্ভব হয় নি।  ভবিষ্যৎ এর কোন নিশ্চয়তা নেই প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীদের।


শিক্ষামন্ত্রী এক জরুরী সংবাদ সম্মলনে  জানান আসছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ( রবি বার)  স্কুল- কলেজ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো  হবে।  

এ ব্যাপারে কঠিনভাবে  নজর দারি করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  প্রধানমন্ত্রী জানান, ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত

 

                              





শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার  কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর   হবে না।  কিন্তু তিনি আর ও জানান, বর্তমানে  করোনা   পরিস্থিতি অনেকটা  স্বাভাবিক  হয়েছে।  বাংলাদেশ শিক্ষাবোর্ডকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  খোলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করতে নির্দেশ দিয়েছেন । 



করোনা বাংলাদেশের সহ সারা বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থা কে পুরোপুরিভাবে ভেংগে দিয়েছে।  এই অবকাঠামো  রুখতে বাংলাদেশ  সরকার অনলাইন  কার্যক্রম চালু করে।


                                 





  কিন্তু এতে তেমন বিশেষ  লাভ হয় নি।  বেশির ভাগ শিক্ষার্থীদের দাবি তারা পরিক্ষা দিবে না। সারা বছর কোন ক্লাস না করে নাম মাত্র অনলাইন  ক্লাস করে শিক্ষার্থীরা পরিক্ষা দিতে নারাজ।


স্কুল খুললে করোনা হার দ্বিগুন হারে বাড়বে

 

 এক বিশেষ  প্রতিবেদনএ আজকের বিডি ২৪  জরিপ করে ফলস্বরুপ ৯৭% শিক্ষার্থীদের দাবি অটোপ্রমশন।আবার কিছু কিছু শিক্ষার্থীরা সিলেবাস  কমাতে  দাবি জানিয়েছেন।  


বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বিপদজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা!

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বিপদজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা!



ajker-bd24.info

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বিপদজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা:

লিখেছেন ঃ  Tahon Sahariar 

গত ১৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশের সকল  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। করোনাকালীন সময়ে সব ধরনের শিল্প কারখানা খুলে দিলে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বরাবর এর মতন এই বন্ধ রেখেছে সরকার। 


 গত কয়েক মাসে অনেক সিদ্ধান্ত এসেছে বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড থেকে। কিন্তু কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর রূপ পায় নি। ছাত্রদের নিরাপত্তার কথা প্রধানমন্ত্রী সবার আগে ভেবেছেন। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কিছু টা নিয়ন্ত্রনে এসেছে। 


                                      




 


কমে এসেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর হার অনেক অংশে কমেছে। তাই এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন অনেক উপরস্থ ব্যক্তি বর্গরা।


কিন্তু বিশ্লেষকরা মনে করছেন এখন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মত পরিবেশ তৈরি হয় নি। যুক্তরাষ্ট্রে এবার নতুন বৈশিষ্ট ধারী করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। 


                             




                                          ajker-bd24


নতুন বৈশিষ্ট ধারী করোনা ভাইরাসের আক্রমনে বর্তমানে ৩৮জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে সর্তক করেছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। করোনা ভ্যাকসিন আর টিকা দেওয়ায় যখন ব্যস্ত সারা বিশ্ব এর মাঝে আরও শক্তি শালী ভাইরাস হানা দেয় যুক্তরাষ্ট্রে।



 এখন চিন্তার বিষয় হচ্ছে উক্ত ভাইরাসটি যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ও বিশ্বের অন্য দেশে ও নিজের আত্নপ্রকাশ করেছে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাসটি ভ্যাকসিনের শক্তি ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।  


                 


    
                    Bangla Breaking  news


তাই এই সময় এ স্কুল কলেজ কিছুই খোলা উচিত হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা! 

মার্চেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে না পারে বলে সম্ভনা রয়েছে!  

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে জানালেন দীপু মনি

 


মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

কেন অটোপাস চায় ২০২১ শিক্ষার্থীরা - ajker-bd24.info

কেন অটোপাস চায় ২০২১ শিক্ষার্থীরা - ajker-bd24.info



                                      ajker-bd24.info



কেন অটোপাস চায় ২০২১ শিক্ষার্থীরা-ajker bd24


লিখেছেন ঃ Tahon Sahariar 

করোনা চলছে আজ প্রায় ১ বছরের ও বেশি সময় ধরে। এর মাঝে অনেক পরির্বতন এসেছে সারা বিশ্বে। বাংলাদেশ ও তার ব্যাতিক্রম নয়। করোনা এর প্রভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে কলেজে যেতে পারে নি।


 শতকরা অনেক শিক্ষার্থী ই তাদের পড়াশুনো থেকে ছিটকে পড়েছে। করোনাকালীন সময়ে সব কিছু বন্ধ থাকায় কোচিং কিংবা প্রাইভেট টিচারগনও আসতে পারেনি।


                                        



                                      hsc exam update          


ফলে এতগুলো পড়া শিক্ষার্থীরা কীভাবে সম্পন্ন করবে? যেখানে ২০২০ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীরা দুই বছর পড়াশুনো করে, সারা বছর ক্লাস করে, কোচিং করে পরিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত কিন্তু সেই মূহুর্তে তাদের অটোপাস দেওয়া হয়। 


 অথচ ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ বছর যেতে না যেতেই করোনা চলে আসে। অচল হয়ে পড়ে শিক্ষাব্যবস্থা। ২য় বর্ষ এ একদিন ও ক্লাস হয় নি। নামমাত্র অনলাইন   ‌ক্লাস করিয়ে সিলেবাস শেষ করিয়েছে কথাও আবার তাও হয় নি। 

 আরও পড়ুন : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  খোলা বিপদজনক  

         

গ্রাম গঞ্জে তো ভাল করে নেট  পাওয়া যায় না সেখানে আবার অনলাইন ক্লাস। দেশের অনেক গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে  নরমাল ফোন এ নেই! সেখানে অনলাইন ক্লাস করে কীভাবে পরিক্ষা দেওয়া সম্ভব? 


                                   




                                       hsc exam news


বর্তমানে শর্ট সিলেবাস প্রকাশ করে শিক্ষা বোর্ড কিন্তু ভর্তি পরিক্ষায় সম্পূর্ণ বই হতে পরিক্ষা নেয়া হবে না শর্ট সিলেবাস থেকে নেয়া হবে তা সর্ম্পকে কিছুই জানায় নি বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড। ৩০লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এর কোন নিশ্চয়তা নেই।


 

অনেকেই অটোপাস এর জন্য আন্দলোন করছেন বিভিন্ন ভাবে! কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, কেউ বা সরাসরি ও করছে। দেশের বহু শহরে আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। অপেক্ষার পালা শেষ কবে হবে তার মুখপানে দেশের সকল শিক্ষার্থীরা তাকিয়ে রয়েছে!  


বেশি বেশি সংবাদটি শেয়ার করুন শিক্ষার্থী বন্ধুরা।আর ওয়েবসাইট আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। মতামত এর উপর ভিত্তি করে উপ শিক্ষামন্ত্রী নওফেল এর কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হবে।

ধন্যবাদ।