সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

বেতন নিচ্ছে কলেজে - বেতন দেও  ব্যাপার না!

বেতন নিচ্ছে কলেজে - বেতন দেও ব্যাপার না!






  Ajker-bd24.info

 

বেতন নিচ্ছে কলেজে - বেতন দেও ব্যাপার না - ajker bd24

লিখেছেন ঃSazzad Ghanem

বেতন নিচ্ছে বেশ করছে! কেউ কোনো দ্বিমত পোষণ করবে না বলে দিলাম! কলেজে ক্লাস হয় নি তো কি হয়েছে? অনলাইন ক্লাসতো হয়েছে? কলেজ থেকে তো প্রতি মাসে অনলাইন ক্লাস করার জন্য যে ইন্টারনেট খরচ হয়েছে তা তো দিয়েছে নাকি?


বাসায় যে লাইট ফ্যান ব্যবহার করে নিরদ্বিধায় আরামে বসে বসে অনলাইন ক্লাস করেছো সেগুলোর খরচ তো কলেজ থেকে দিয়েছে! তোমরা যে টাইপিং করে অনলাইন পরিক্ষা দিয়েছো কত শত পেইজ খরচ হয়েছে, কলেজ থেকে যে সেগুলোরও খরচ দিয়েছে। 

                

                            



   

                                       Bangla Blogg


 এবং টাইপিং করতে গিয়ে কত শত লিটার কালি খরচ হয়েছে তা তো কলেজ থেকেই দেওয়া হয়েছে! শুধু এইটুকুতেই শেষ নয় আজকাল মানবতা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে কি আর বলবো আমি মুগ্ধ, এ করোনায় অনেকর বাবা মা চাকরি হারিয়েছে!



 এমন অনেক পরিবার আছে যাদের সংসার চালাতেই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কলেজের পাঠ্যবই কিনে দেওয়া যে বড়ই দুঃসপ্ন ছিলো কিন্তু তাদের কষ্টটা কেউ না বুজলেও - এদেশের প্রাইভেট কলেজগুলো কিন্তু ঠিকই বুজেছে!


                              




                               Bangla Breaking  News 


  তাইতো মানবতার সার্থে সবাইকে কলেজ থেকে ফ্রি ফ্রি পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে! আজ এইসব প্রাইভেট কলেজের মানবতার জন্যই বেঁচে আছে হাজারো মধ্যবিত্ত ও গরিব পরিবার গুলো আর কি চায় বলো?  


এত কিছু করার পরও কি তারা এই সামান্য বেতন চাওয়ার অধিকার রাখে না? আমাদেরতো উচিত তাদের এই মহৎ কাজের জন্য তাদের আরো বাড়তি বেতন প্রধান করা তা চুরি করেই হোক না কেনো? 


আরও পড়ুন : করোনাকালীন সময়ও বেতনসহ অতিরিক্ত ফি আদায় করছে চট্টগ্রাম বিএএফ শাহীন কলেজ!



                               

তোমরা কেনো এই সামান্য বেতন চাওয়ায় দ্বিমত পোষণ করছো তোমাদেরতো তাদের শুকরিয়া আদায় করা উচিত এই ভয়ংকর যুগে এতটাতো কেউই কারো জন্য করে না- যা এই প্রাইভেট কলেজ গুলো আমাদের জন্য করেছে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রাইভেট কলেজ কর্তৃপক্ষদের!!


  

বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

করোনাকালীন সময়ও বেতনসহ অতিরিক্ত ফি আদায় করছে চট্টগ্রাম বিএএফ শাহীন কলেজ!

করোনাকালীন সময়ও বেতনসহ অতিরিক্ত ফি আদায় করছে চট্টগ্রাম বিএএফ শাহীন কলেজ!



                                         Ajker-bd24

করোনাকালীন এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ও থেমে নেই চট্টগ্রামের  বি এ এফ শাহীন কলেজ!


লিখেছেনঃ Tahon Sahariar 

ক্লাস হচ্ছে না একদিন ও, নাম মাত্র অনলাইন ক্লাস এর নাম দিয়ে মাসের পর মাস কলেজ কৃতপক্ষ শির্ক্ষাথীদের চাপ দিয়ে ফি বাবদ আদায় করে নিচ্ছে ১৮৬০/- ( বাংলা ভার্সন) ২০৬০/- ( ইংরেজি ভার্সন) । এছাড়াও কলেজের উন্নয়ন ফি, পরিক্ষার ফি, টিউশন ফি, ফাইন তো আছেই। 


                                  




                       chittagong baf shaheen collage


করোনা চলছে আজ প্রায় ১ বছর। এই ১বছরে অনেক কিছু এই পরির্বতন হয়েছে। অনেক বাবা চাকরি হারিয়েছে,বেকার হয়েছে অনেক মানুষ। কিন্তু এর মধ্যে ও প্রাইভেট কলেজ গুলো তাদের ব্যবসা বন্ধ রাখে নি। মানুষ্যত্ব বোধ তাদের এমন ভাবে লোপ পেয়েছে যা বলার বাহিরে।  


চট্টগ্রাম বি এ এফ শাহীন কলেজের একজন শিক্ষার্থী আমাদের জানান, তার বাবার চাকরি বন্ধ আজ ৯ মাস। তার ঘরে ২ বোন ; দুই বোনের পড়ার খরচ তার বাবাই সামলাতেন। কিন্তু করোনার কারণে কিছুই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। 


                              Current  News of Bd

 

বাসা ভাড়া, খাবার খরচ সব কিছু যেন এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে কলেজের এমন অমানবিক আচরোণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে বিষয়টি জানাতে ও পারছেন না ওই শিক্ষার্থী। তিনি আমাদের কর্মীকে আরও জানান, অন্য সব কলেজে ফাইন মওকুফ করলে ও শাহীন কলেজ তা করেনি।


আরও পড়ুন : বেতন নিচ্ছে কলেজে-বেতন দেও ব্যাপার না!


 উল্টো টিউশন ফি দিতে দেরি করায় এক মাসের সমপরিমাণ টাকা জরিমানা করে। অর্থাৎ ১৮৬০টাকা ( বাংলা ভার্সন)। এর মধ্যে ২০০ টাকা এক্সট্রা ফি প্রতি মাসেই। ৫০ টাকা আলাদা ফি। করোনা এর মধ্যে কোন ধরনের পরিক্ষা সরকার অনুমোদন দেয় নি। এমতা অবস্থায়, বি এ এফ শাহীন কলেজ চট্টগ্রাম পরিক্ষার ফি বাবদ নিচ্ছে ১২৫০/-টাকা।  

                                       News24 


কলেজ উন্নয়ন ফি বাবদ নিচ্ছে ২০০০/-টাকা। সেশন ফি নিচ্ছে ৩০০০/-টাকা। কলেজ কৃতপক্ষকে ব্যাপার টি জানানো হলে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন তারা এই ব্যাপার এ কিছুই জানেন না। সব কিছু ঢাকা থেকে নির্ধারিত।



মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এত টাকা দেওয়া কনোভাবেই সম্ভব না। ওই শিক্ষার্থীর প্রায় ২০ হাজার টাকা টিউশন ফি বাবদ জমা পরেছে। করোনা কালীন এ সময় কারই আর্থিক অবস্থা ঠিক নেই । এর মধ্যে এত গুলো টাকা দেওয়া যেন অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন ওই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী। 


                                          


                        Bangla Breaking  news 

  

সম্প্রতি সরকার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, টিউশন ফি ছাড়া অন্য কনো ধরনের ফি বাবদ যাতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো না নেয়, তবু ও চট্টগ্রাম শাহীন কলেজের মত কিছু স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের বিধি নিষেধ মানছে না। তারা শিক্ষার্থীদের কথা না ভেবে তাদের ফান্ড এর কথা ভাবছে, ভাবছে কি করে টাকা আদায় করা যায়।