বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

করোনাকালীন সময়ও বেতনসহ অতিরিক্ত ফি আদায় করছে চট্টগ্রাম বিএএফ শাহীন কলেজ!



                                         Ajker-bd24

করোনাকালীন এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ও থেমে নেই চট্টগ্রামের  বি এ এফ শাহীন কলেজ!


লিখেছেনঃ Tahon Sahariar 

ক্লাস হচ্ছে না একদিন ও, নাম মাত্র অনলাইন ক্লাস এর নাম দিয়ে মাসের পর মাস কলেজ কৃতপক্ষ শির্ক্ষাথীদের চাপ দিয়ে ফি বাবদ আদায় করে নিচ্ছে ১৮৬০/- ( বাংলা ভার্সন) ২০৬০/- ( ইংরেজি ভার্সন) । এছাড়াও কলেজের উন্নয়ন ফি, পরিক্ষার ফি, টিউশন ফি, ফাইন তো আছেই। 


                                  




                       chittagong baf shaheen collage


করোনা চলছে আজ প্রায় ১ বছর। এই ১বছরে অনেক কিছু এই পরির্বতন হয়েছে। অনেক বাবা চাকরি হারিয়েছে,বেকার হয়েছে অনেক মানুষ। কিন্তু এর মধ্যে ও প্রাইভেট কলেজ গুলো তাদের ব্যবসা বন্ধ রাখে নি। মানুষ্যত্ব বোধ তাদের এমন ভাবে লোপ পেয়েছে যা বলার বাহিরে।  


চট্টগ্রাম বি এ এফ শাহীন কলেজের একজন শিক্ষার্থী আমাদের জানান, তার বাবার চাকরি বন্ধ আজ ৯ মাস। তার ঘরে ২ বোন ; দুই বোনের পড়ার খরচ তার বাবাই সামলাতেন। কিন্তু করোনার কারণে কিছুই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। 


                              Current  News of Bd

 

বাসা ভাড়া, খাবার খরচ সব কিছু যেন এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে কলেজের এমন অমানবিক আচরোণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে বিষয়টি জানাতে ও পারছেন না ওই শিক্ষার্থী। তিনি আমাদের কর্মীকে আরও জানান, অন্য সব কলেজে ফাইন মওকুফ করলে ও শাহীন কলেজ তা করেনি।


আরও পড়ুন : বেতন নিচ্ছে কলেজে-বেতন দেও ব্যাপার না!


 উল্টো টিউশন ফি দিতে দেরি করায় এক মাসের সমপরিমাণ টাকা জরিমানা করে। অর্থাৎ ১৮৬০টাকা ( বাংলা ভার্সন)। এর মধ্যে ২০০ টাকা এক্সট্রা ফি প্রতি মাসেই। ৫০ টাকা আলাদা ফি। করোনা এর মধ্যে কোন ধরনের পরিক্ষা সরকার অনুমোদন দেয় নি। এমতা অবস্থায়, বি এ এফ শাহীন কলেজ চট্টগ্রাম পরিক্ষার ফি বাবদ নিচ্ছে ১২৫০/-টাকা।  

                                       News24 


কলেজ উন্নয়ন ফি বাবদ নিচ্ছে ২০০০/-টাকা। সেশন ফি নিচ্ছে ৩০০০/-টাকা। কলেজ কৃতপক্ষকে ব্যাপার টি জানানো হলে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন তারা এই ব্যাপার এ কিছুই জানেন না। সব কিছু ঢাকা থেকে নির্ধারিত।



মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এত টাকা দেওয়া কনোভাবেই সম্ভব না। ওই শিক্ষার্থীর প্রায় ২০ হাজার টাকা টিউশন ফি বাবদ জমা পরেছে। করোনা কালীন এ সময় কারই আর্থিক অবস্থা ঠিক নেই । এর মধ্যে এত গুলো টাকা দেওয়া যেন অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন ওই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী। 


                                          


                        Bangla Breaking  news 

  

সম্প্রতি সরকার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, টিউশন ফি ছাড়া অন্য কনো ধরনের ফি বাবদ যাতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো না নেয়, তবু ও চট্টগ্রাম শাহীন কলেজের মত কিছু স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের বিধি নিষেধ মানছে না। তারা শিক্ষার্থীদের কথা না ভেবে তাদের ফান্ড এর কথা ভাবছে, ভাবছে কি করে টাকা আদায় করা যায়।  

 


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

৩টি মন্তব্য:

  1. আমিও একজন চট্টগ্রাম বিএফশাহীন কলেজের স্টুডেন্ট। আমারও একই অবস্থা, এখন পযন্ত আমার সব মিলিয়ে ৩০ হাজার টাকা এর মতো আসছে। আমার ও পরিারের আর্থিক সমস্যার কারণে এতগুলো টাকা দেওয়ায় সম্ভব হচ্ছে নাহ,আমি এটার সমাধানটা চাই।

    উত্তরমুছুন
  2. আমিও একজন চট্টগ্রাম বিএফশাহীন কলেজের ছাত্র।আমারও প্রায় ৭,৮ মাসে ৩০ হাজার টাকার মতো বেতন আসছে সবকিছু মিলিয়ে। আমারও পরিবারের আর্থিক সমস্যা থাকার কারণে এগুলো পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। তাই এটার একটা সমাধান চাই দয়া করে। 😪

    উত্তরমুছুন
  3. কথা গুলো সত্য,,আমি শাহীন এর স্টুডেন্ট 😴😔😔😔
    অতি শীঘ্রই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি

    উত্তরমুছুন